২২ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২৩ হাজার ৪৩৬ কোটি টাকা—যা দেশের অর্থনীতির জন্য এক বিশাল আশীর্বাদ, এক অদৃশ্য শক্তি, যা ঘাম আর ত্যাগে গড়া।
প্রবাসীর পাঠানো এই টাকায় চলছে পরিবারের হাসি, শিশুর পড়ালেখা, বৃদ্ধ মায়ের ওষুধ, আর দেশের রিজার্ভে নতুন প্রাণ।কিন্তু বিদ্রূপের বিষয়—যে প্রবাসী দেশের অর্থনীতিকে ধরে রেখেছেন, সেই প্রবাসীই বিমানের টিকিট কিনতে গিয়ে পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে! দামের আগুন যেন তার ঘামে জ্বলে ওঠা স্বপ্নকেও ছাই করে দিচ্ছে।
যেখানে একসময় ওমান বা সৌদি আরবের টিকিট পাওয়া যেত ৫০ হাজার টাকায়, আজ সেই টিকিটই দ্বিগুণের বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে! একই বিমান, একই রুট, কিন্তু দাম যেন অন্য গ্রহের!
বিমানের এই অব্যবস্থাপনা, দালাল সিন্ডিকেট আর কৃত্রিম সংকটে কান্না আজ হাজারো প্রবাসীর বুকের ভেতর। দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে যে মানুষগুলো অর্থনীতির নায়ক—তারা ফিরে আসতে পারছেন না নিজের ঘরে, নিজের মাটিতে।
আরও
প্রবাসীর টাকায় দেশ চলে, কিন্তু প্রবাসীর কষ্টে কে কান দেয়? এই বৈষম্য, এই অবহেলা—কবে বদলাবে আমাদের দেশের বাস্তবতা?










