সর্বশেষ

স্বৈরাচার পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে : তারেক রহমান

Efforts underway to rehabilitate dictatorship tarique rahmanProbashir city Popup 19 03

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারছে কি না তা নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সংশয় সৃষ্টি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান

শুক্রবার (৯ মে) রাজধানীর ফার্মগেটে ইস্টার পুনর্মিলনী ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ খ্রিষ্টান ফোরাম এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের দেশত্যাগের ঘটনার উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বলা হচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, তারা নাকি দেশত্যাগের (আব্দুল হামিদের) ব্যাপারে কিছুই জানে না। যত মানুষের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, প্রত্যেকে প্রশ্ন তুলেছেন তাহলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জানেটা কী? সঙ্গে এ অভিযোগও তুলছে সংস্কারের নামে সময়ক্ষেপণ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একদিকে যেমন পলাতক স্বৈরাচার এবং তাদের দোসরদের নিরাপদে দেশত্যাগের সুযোগ করে দিচ্ছে। অপরদিকে অত্যন্ত সুকৌশলে নানা ইস্যু সৃষ্টি করে স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদ বিরোধী যে রাজনৈতিক দলগুলো, আমরা যারা মাঠে ছিলাম, সেই দলগুলোর ঐক্যের মধ্যে ফাটল ধরানোর একটা ক্ষেত্র হয়ত তৈরি করতে চাচ্ছে।

পলাতক স্বৈরাচারের সহযোগীদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রও হয়ত তৈরি করতে চাচ্ছে। এ বিষয়গুলো ঘুরেফিরে মানুষের মনে প্রশ্ন তৈরি করছে বলে উল্লেখ করেন তারেক রহমান।

তিনি বলেন, এ দেশটা কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়। দেশটা আমার, আপনার আমাদের সবার। ফ্যাসিবাদের পতনের পর দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক অপার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গণতান্ত্রিক ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত না হলে জনগণকে নির্মম পরিণতি ভোগ করতে হয়, গত দেড় দশকে ফ্যাসিবাদী শাসন এর বড় উদাহরণ। ভবিষ্যতে আর কোনো ষড়যন্ত্র যাতে বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের যাত্রাপথ থেকে বিচ্যুত করতে না পারে, সেজন্য আসুন আমরা যে যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখি।

বিভাজন ও প্রতিশোধের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বিভাজন নয়, ঐক্য। প্রতিশোধ নয়, ভালোবাসা। ভালোবাসা দিয়েই আমরা দেশটাকে তৈরি করব।

ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান জানিয়ে ফখরুল বলেন, ১৯৭১ সালে অসাধারণ ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্য নিয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য আমরা যুদ্ধ করেছিলাম। সেই চেতনা ও ঐক্যে যেন আমরা অটুট থাকতে পারি। আজকে কোনো শক্তি যেন সেই চেতনায় ফাটল ধরাতে না পারে।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র আমরা সবাই চাই। এই গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা লড়াই করেছি। গণতন্ত্রের জন্য আমাদের অনেকে প্রাণ দিয়েছে। একটিমাত্র উদ্দেশ্য, আমরা একটা গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা চাই। আমরা একটা রাষ্ট্র চাই, যেখানে সবাই সবার কথা বলতে পারবে এবং ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারবে। আজকে সেই সুযোগ এসেছে। সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে ঐক্যবদ্ধভাবে গণতান্ত্রিক একটি বাংলাদেশ গড়তে হবে।

আরও দেখুনঃ

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।

Probashir city Popup 19 03
Probashir city Squre Popup 19 03