সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর জবাবে হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত ইরানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপে ব্যাপক বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। পাল্টাপাল্টি এই বড় হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। এতে মার্কিন বিমানবাহিনীর পাঁচটি জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সেগুলো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়নি। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত উড়োজাহাজগুলো মেরামতের কাজ চলছে। তবে এই হামলায় কোনো ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের এই হামলার কড়া জবাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় গত শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইউনাইটেড স্টেটস সেন্ট্রাল কমান্ড (ইউএস সেন্টকম) মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী এই বিমান হামলা চালিয়েছে। এর মাধ্যমে ইরানের ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে বলে জোর দাবি করেন তিনি।
আরও
একই পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও একটি কঠিন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, ওই দ্বীপের তেল অবকাঠামোগুলো ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র এখনো নেয়নি। তবে ইরান বা অন্য কোনো পক্ষ যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের স্বাধীন ও নিরাপদ সামুদ্রিক পথ ব্যাহত করার সামান্যতম চেষ্টাও করে, তাহলে তেল স্থাপনায় হামলার এই সিদ্ধান্তটি যুক্তরাষ্ট্র পুনর্বিবেচনা করবে।

![]gfd](https://probashtime.net/wp-content/uploads/2026/03/gfd.webp)










