সৌদি আরব গত এক বছরে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া প্রবাসীদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর হার বাড়িয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, এ সময়ে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি ব্যক্তিকে আটক করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, অভিযানে গ্রেপ্তারদের মধ্যে ইয়েমেনি নাগরিকের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি। সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, সীমান্ত সংলগ্ন অবস্থান ও অনিয়মিত প্রবেশের প্রবণতার কারণে এ ধরনের ঘটনায় কিছু নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের সংখ্যা বেশি দেখা যায়।
সৌদি আরব বৈধ পর্যটক ও ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকলেও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কিছু দর্শনার্থী ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান, অবৈধভাবে কাজ বা অননুমোদিত সীমান্তপথে প্রবেশের চেষ্টা করছেন। এসব কর্মকাণ্ডকে দেশের নিরাপত্তা ও শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনার জন্য ঝুঁকি হিসেবে দেখছে রিয়াদ।
আরও
এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুনরায় সতর্ক করেছে—অবৈধভাবে প্রবেশে সহায়তা, অপরাধীদের পরিবহন, আশ্রয় প্রদান বা যেকোনো ধরনের সেবা ও সহায়তা দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকেও কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ১৫ বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানার বিধান থাকার কথাও জানানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, নিয়মিত অভিযান ও কঠোর আইন প্রয়োগের লক্ষ্য হলো অনিয়মিত অভিবাসন, অবৈধ কর্মসংস্থান এবং সীমান্ত নিরাপত্তা লঙ্ঘন রোধ করে আইনানুগ ভ্রমণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাকে সুশৃঙ্খল রাখা।











