বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাইলট ক্যাপ্টেন মুনতাসির রহমানকে পাসপোর্ট ছাড়া ফ্লাইট পরিচালনার কারণে সৌদি আরবের জেদ্দা বিমানবন্দরে আটক করেছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। জিজ্ঞাসাবাদের পর বুধবার সকালে তাকে বিমান কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সন্ধ্যার একটি ফ্লাইটে তার পাসপোর্ট পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
সূত্র জানায়, ক্যাপ্টেন মুনতাসির এর আগেও বিভিন্ন সময়ে নানা বিতর্কিত ঘটনায় জড়িয়েছেন। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির জন্য অনেকেই বিমানের ভেতরে জবাবদিহির অভাবকেই দায়ী করছেন। এর আগে ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফ্লাইট পরিচালনা করে দোহা বিমানবন্দরে পাসপোর্ট ছাড়া আটকা পড়েছিলেন। তখন তাকে বিমানবন্দরের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি এবং পরবর্তীতে অন্য ফ্লাইটে দেশে ফিরতে হয়।
এমনকি চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি আরেকজন পাইলট ক্যাপ্টেন এনাম মেয়াদোত্তীর্ণ পরিচয়পত্র নিয়ে ঢাকা–লন্ডন রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে আটকে দেয়। পরে বিমানের টিকিট কেটে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। দীর্ঘ রুটের ফ্লাইটগুলোতে তিনজন ককপিট ক্রু দিয়ে অপারেশন করা হলেও এসব ত্রুটি ঘটায় প্রশ্ন উঠেছে নিরাপত্তা ও সুশাসন নিয়ে।
আরও
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ভেতরে ধারাবাহিক এ ধরনের ঘটনার ফলে যাত্রী নিরাপত্তা ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভ্যন্তরীণ তদারকি ও নিয়মশৃঙ্খলার ঘাটতির কারণেই এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বারবার ঘটছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ বিষয়ে জানতে বিমানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. সাফিকুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।











