ওমান ছাড়ছেন প্রবাসীরা: সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা যে শিয়া সুন্নি সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্ব চলছিল হঠাৎ করেই কী এমন ঘটলো যে তারা আবার তাদের সম্পর্ক পুন: স্থাপন করলো?
বলছি ২০১৬ সালের কথা। সে সময় সৌদি আরবের হাতে একজন শিয়া ধর্ম গুরুর মৃত্যুদণ্ডের পর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ভেঙে যায়। তারপর থেকেই এই দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ছিল দা কুড়ালের মত। তবে সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের আগ্রাসন বৃদ্ধি পাওয়ায় ভেদাভেদ ভুলে ওমান সাগরে যৌথ মহড়া চালিয়েছে সৌদি আরব ও ইরান। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের শত্রুতা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন থাকার পর আবারও তাদের মধ্যে নতুন ঐক্য গড়ে উঠেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সৌদি আরব ও ইরানের ঐক্য ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে।
আরও
চলমান পরিস্থিতির জন্য ওমানে বসবাসরত বেশ কয়েকজন প্রবাসী ব্যবসায়ী প্রবাস টাইম কে জানান, ইসরাইলের চলমান আগ্রাসনের প্রভাবে তাদের ব্যবসার বর্তমান পরিস্থিতি খুবই খারাপ। বেচাকেনা নেই বললেই চলে। মানুষজনের চলাফেরা কমে গেছে এবং সচেতন নাগরিকরা তাদের স্থান পরিবর্তন করে ফেলেছেন। এমতাবস্থায় টিকিট পেলেই দেশে আসার চিন্তা করছেন তিনি।
তবে ওমানের অবস্থা এখন খুব ভালো আছে উল্লেখ করে ওমানে থাকা আরেক প্রবাসী বাংলাদেশী ইনভেস্টর বলেন, তিনি কৃষি খাতে যে ইনভেস্ট করেছেন তাতে সেখানে লোকসংকট রয়েছে। যদি ওমান সরকার ভিসা খুলে দিত তাহলে তিনিসহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই লাভবান হতো।
তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও সামরিক সমীকরণে নতুন দিকনির্দেশনা আসতে পারে যা উভয় দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।










