মাস্কাট বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে মাদক পাচারকারী প্রবাসী চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীরা লাগেজ, কার্টনের মোড়কে পেচিয়ে পন্যের নাম করে মাদক পরিবহন করছে।
সম্প্রতি মাদকের এমন কয়েকটি চালান আটকে দিতে সক্ষম হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী ও কাস্টমস বিভাগ। ওমানে মাদক সরবরাহে প্রবাসীদের এই সম্পৃক্ততা নিয়ে চরম বিরক্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ওমানিরা। বিমানবন্দরে প্রবাসীদের উপরে বাড়তি নজর দেওয়ার আহ্বান তাদের।
একটি দেশের বিমানবন্দর পেরিয়ে কিভাবে ওমানে মাদকের চালান পৌছাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে কর্তৃপক্ষ এর জন্য লাগেজে পণ্য পরিবহনের সময় স্ক্যানিং ঠিকমতো না হওয়াকে দায়ি করছেন। অভিযোগ আছে, প্রবাসীদের মাদক পাচারে সহযোগিতা করেন বিমানবন্দরগুলোর স্ক্যানিং সুপারভাইজাররাও।
জানা গেছে, অনেক বাংলাদেশিও এই মাদক চোরাচালানে জড়িত। ঢাকা বিমানবন্দরে উন্নতমানের যন্ত্রপাতি না থাকা এবং বিশেষ নজরদারির অভাবে দিনের পর দিন এসব অপকর্ম করে আসছেন তারা। যদিও গত মে মাসে বিমানবন্দরে উন্নতমানের যন্ত্রপাতি বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
আরও
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যন্ত্রপাতিগুলো স্থাপন করা হলে মাদকসহ অবৈধ পণ্যগুলো সহজেই শনাক্ত করা যাবে। উন্নত দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চোরাকারবারি রোধে এসব যন্ত্র ব্যবহার করে সাফল্য পাচ্ছে।











