ওমানে ঋণ ও আর্থিক দায়বদ্ধতার কারণে কারাবন্দী ব্যক্তি এবং প্রবাসীদের মুক্ত করতে বিশেষ আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন দেশটির সুলতান হাইথাম বিন তারিকের স্ত্রী সাঈয়িদা আহাদ। ‘ফাক কুরবা’ নামের একটি সুপরিচিত মানবিক উদ্যোগের তহবিলে তিনি এই অনুদান প্রদান করেন। রাজপরিবারের এই বদান্যতার ফলে আর্থিক সংকটে পড়ে আইনি জটিলতায় থাকা বহু পরিবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে।
ওমানি লয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালনায় ২০১২ সাল থেকে ‘ফাক কুরবা’ কর্মসূচিটি পরিচালিত হয়ে আসছে। দেওয়ানি, বাণিজ্যিক বা শ্রম আইনের অধীনে হওয়া আর্থিক মামলায় যাঁরা ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে কারাগারে বন্দী আছেন, তাঁদের মুক্ত করাই এই ক্যাম্পেইনের প্রধান লক্ষ্য। যদিও আয়োজকেরা জানিয়েছেন, এই সহায়তা কোনো অপরাধমূলক বা ফৌজদারি মামলার আসামিদের জন্য নয়; বরং পরিস্থিতির শিকার হয়ে যাঁরা ঋণগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের আইনি ও আর্থিক দায় মেটানোর জন্য এই তহবিল ব্যবহার করা হয়।
এই মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে ওমানের স্থানীয় নাগরিকদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক প্রবাসীও সরাসরি উপকৃত হন। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে কর্মরত অনেক প্রবাসী শ্রমিক নানা কারণে আর্থিক দৈন্যদশার শিকার হয়ে জেলে যেতে বাধ্য হন। সুলতানের স্ত্রীর এই অনুদান সেই সব অসহায় প্রবাসী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের পুনরায় একত্রিত হওয়ার পথ সুগম করবে।
আরও
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, দেশটিতে এখন পর্যন্ত এই কর্মসূচির মাধ্যমে আট হাজারেরও বেশি কারাবন্দী ঋণখেলাপিকে মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং এবার এই সংখ্যা আরও বাড়বে।












