ওমানের নাগরিক ও প্রবাসীরা সরকারের নতুন বার্ষিক সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডারকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, আগেভাগে ছুটির তারিখ ঘোষণা করা হলে ভ্রমণ, পারিবারিক পরিকল্পনা ও অফিসের কাজের সময়সূচি নির্ধারণ অনেক সহজ হয়ে উঠবে। সম্প্রতি মন্ত্রিসভা অনুমোদিত এই নীতির আওতায় প্রতি বছর গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির শুরুতেই অধিকাংশ জাতীয় ও ধর্মীয় ছুটির দিন ঘোষণা করা হবে। তবে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার ছুটি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই নির্ধারিত থাকবে।
২০২৬ সালের জন্য ঘোষিত সরকারি ছুটির মধ্যে রয়েছে— ১৫ জানুয়ারি অ্যাকসেশন ডে, ১৮ জানুয়ারি ইসরা ও মেরাজ, ১৮ জুন হিজরি নববর্ষ, ২৭ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী এবং ২৫–২৬ নভেম্বর জাতীয় দিবস। বাসিন্দারা বলছেন, নির্দিষ্ট তারিখ জানার ফলে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ও দীর্ঘ সপ্তাহান্তের পরিকল্পনা অনেক আগেই চূড়ান্ত করা সম্ভব হচ্ছে।
মাস্কটে কর্মরত রেনজিথ কৃষ্ণন বলেন, আগেভাগে ছুটির তারিখ জানা থাকায় ফ্লাইট বুকিং ও ছুটি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এসেছে। ওমানি নাগরিকরাও মনে করেন, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, সামাজিক অনুষ্ঠান ও ব্যক্তিগত পরিকল্পনা সাজাতে এই উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
আরও
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বার্ষিক ছুটির ক্যালেন্ডার প্রতিষ্ঠানগুলোর জনবল ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন পরিকল্পনা ও ক্লায়েন্ট সেবায় সমন্বয় আনার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। শ্রম মন্ত্রণালয় বলছে, এই নীতির লক্ষ্য হলো সরকারি–বেসরকারি খাতের কার্যক্রম দক্ষ করা এবং বড় ইভেন্টের সঙ্গে ছুটির সংঘাত এড়ানো।
নাগরিকদের মতে, এটি ওমান সরকারের পূর্বনির্ধারিত, জনবান্ধব প্রশাসনের দিকে অগ্রযাত্রার একটি উদাহরণ, যা দেশের দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনাকে আরও দৃঢ় করবে।











