বিদেশে কাজের আশায় ওমান যাওয়া প্রবাসী নারী এনজেরির ওপর নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি সরকারি পর্যায়ে গুরুত্ব পায় এবং শেষ পর্যন্ত তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, ৩৪ বছর বয়সী এনজেরি ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর গৃহকর্মী হিসেবে ওমানে পাড়ি জমান। কিন্তু তিন দিনের মধ্যেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। অভিযোগ রয়েছে, অসুস্থতার পর তার নিয়োগকর্তা তাকে একটি অফিসকক্ষে আটকে রেখে অমানবিক আচরণ করেন। মেয়ের এমন নির্যাতনের দৃশ্য ভিডিওতে দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন এনজেরির মা মেরি এনজকি।

আরও
ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ডেনিস কারিউকি মুথি নামে এক ব্যক্তি এগিয়ে আসেন এবং এনজেরির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তিনি বিষয়টি প্রশাসনিক বিচার কমিশন (অম্বুডসম্যান) কার্যালয়ে নিয়ে যান। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পন্ন হলে এনজেরিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। দেশে এসে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে ACK মাউন্ট কেনিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরিবার জানায়, এনজেরিকে মুক্তি দিতে তার নিয়োগকর্তা ৬ লাখ কেনীয় শিলিং দাবি করেছিল, যা পরিশোধ করা তাদের পক্ষে অসম্ভব ছিল। পরিবারে প্রতিবন্ধী শিশু ও আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে তারা চরম অসহায় অবস্থায় ছিলেন। এনজেরি ভিডিও বার্তায় জানান, তিনি ভুল মানুষের কথায় বিশ্বাস করে ওমানে গিয়েছিলেন এবং সেখানেই শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন।
পরিবারের অন্যান্য সদস্য, বিশেষ করে নানী জুডি মুথনি, জানান যে এনজেরির অবস্থার কথা জানার পর তারা রাত-দিন সহায়তার জন্য মানুষের দ্বারস্থ হন। বহু শুভাকাঙ্ক্ষীর সহযোগিতায় অবশেষে এনজেরির ঘরে ফেরা সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।











