পাইলটদের কর্মঘণ্টা সংক্রান্ত নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর হওয়ায় ইন্ডিগো এয়ারলাইনসের পরিচালনাগত সংকট দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক রুটেও। গত বুধবার থেকে ধারাবাহিকভাবে শত শত ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় ওমান ও ভারতগামী হাজারো যাত্রী বিপাকে পড়েছেন। মাস্কাটসহ ভারতের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ভিড়, বিভ্রান্তি ও দীর্ঘ অপেক্ষার পরিস্থিতি তৈরি হয়।
শুক্রবারের পর শনিবারও দেশজুড়ে ইন্ডিগোর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল করা হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মাস্কাট থেকে মুম্বাই, হায়দ্রাবাদ ও কোচিনগামী যাত্রীরা, পাশাপাশি ভারতের অভ্যন্তরীণ কানেক্টিং ফ্লাইট ব্যবহারকারীরা। যাত্রাশুরু স্থানে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বহু যাত্রী নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে গন্তব্যে পৌঁছাতে বাধ্য হচ্ছেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিকল্প পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসেও টিকিটের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। পাটনার এক যাত্রী জানান, কানেক্টিং ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় তাকে ১৭ ঘণ্টা ট্রেনে ভ্রমণ করতে হয়েছে এবং প্রায় ৩০ হাজার রুপি অতিরিক্ত খরচ হয়েছে। টিকিটের দাম কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় অনেক যাত্রীই ফ্লাইট পুনরায় বুক করতে পারছেন না।
আরও
ইন্ডিগো কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে এই পরিস্থিতিকে ‘অপারেশনাল ক্রাইসিস’ হিসেবে উল্লেখ করে যাত্রীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে। ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচলমন্ত্রী নতুন পাইলট কর্মঘণ্টা নীতিমালা আপাতত স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন এবং দ্রুত ফ্লাইট সেবা স্বাভাবিক করার আশ্বাস দিয়েছেন।












