সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসীদের জন্য ওমানে প্রবেশ এখন আরও সহজ হয়েছে। কাজ, পরিবার পরিদর্শন কিংবা পর্যটনের উদ্দেশ্যে যাত্রীরা চাইলে ভিসা অন অ্যারাইভাল অথবা জিসিসি রেসিডেন্ট ই-ভিসা গ্রহণ করতে পারবেন। এ সুবিধা পাওয়া যাবে মাস্কাট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, স্থলবন্দরসহ রয়্যাল ওমান পুলিশের (ROP) অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে।

উভয় ভিসার মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ দিন, যার ফি ৫ ওমানি রিয়াল (প্রায় ৪৮ দিরহাম)। ভ্রমণকারীদের অবশ্যই বৈধ এমিরেটস আইডি এবং অন্তত ছয় মাস মেয়াদ থাকা পাসপোর্ট সঙ্গে রাখতে হবে। তবে স্থলপথে প্রবেশের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ৩৫ দিরহাম প্রস্থান ফি প্রযোজ্য।
আরও
যোগ্যতার ক্ষেত্রে শর্ত হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে পেশাভিত্তিক অনুমোদন। এমিরেটস আইডিতে উল্লেখিত চাকরির পদবী ওমান সরকারের অনুমোদিত তালিকার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক, পাইলটসহ বেশ কয়েকটি পেশার অধিকারীরা এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। তবে অনুমোদিত তালিকার বাইরে থাকা ব্যক্তিদের জন্য একমাত্র পথ হলো স্পন্সরড ভিসা, যা ট্রাভেল এজেন্ট, ওমান দূতাবাস অথবা সেখানে বসবাসরত পরিবারের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।
যারা আগেই প্রক্রিয়া শেষ করতে চান, তাদের জন্য ই-ভিসা সুবিধা বেশি সহজ। অনলাইনে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে এমিরেটস আইডি, আবাসিক ভিসা, পাসপোর্ট কপি ও ছবি আপলোড করতে হবে। আবেদন অনুমোদনের পর অনলাইনে ফি প্রদান করলে ভিসা পাওয়া যাবে। সাধারণত চার থেকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ওমানে প্রবেশে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রবাসীরা এখন দ্বিমুখী সুবিধা পাচ্ছেন—ভিসা অন অ্যারাইভাল কিংবা জিসিসি রেসিডেন্ট ই-ভিসা। তবে শর্ত অনুযায়ী অনুমোদিত পেশার তালিকায় নাম থাকা বাধ্যতামূলক, অন্যথায় স্পন্সরড ভিসাই একমাত্র ভরসা।
সূত্র গালফ নিউজ









