ওমান থেকে দেশে ফেরত আসা মানসিক ভারসাম্য হারানো প্রবাসী সুমনের পরিবারের সন্ধান মিলেছে। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার রতনপুর গ্রামে। বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১১টায় প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের ডেপুটি ডিরেক্টর শরিফুল ইসলামের উপস্থিতিতে সুমন তার বড় ভাই মামুনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর ব্র্যাকের অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে তিনি বাড়ি ফিরবেন।

এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম সামাজিক মাধ্যমে সুমনের ছবি প্রচার করে তার পরিবারের খোঁজে সহায়তা চেয়েছিল। সুমন ওইদিনই ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ওমান থেকে দেশে আসেন। বিমানবন্দরে এভিয়েশন সিকিউরিটি তার মানসিক অসুস্থতা শনাক্ত করে তাকে ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারে হস্তান্তর করা হয়।
আরও
সুমন মানসিকভাবে এতোটাই অসুস্থ ছিলেন যে বিমানবন্দরেই নিজের জামা-কাপড় নষ্ট করে ফেলেন এবং শুধু নিজের নাম “সুমন” বলতে পারছিলেন। পাসপোর্ট না থাকার কারণে তার পরিচয় শনাক্ত করা বেশ জটিল হয়। পরে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের তথ্যের ভিত্তিতে একটি জিডি তৈরি করা হয়।
ব্র্যাকের অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর শরিফুল হাসান বলেন, “মাঝে মাঝে বিদেশ থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় আসা অভিবাসীরা পাসপোর্ট হারিয়ে ফেলে। তাই তাদের পরিবার খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। আমাদের প্রস্তাবিত কাঠামোর মাধ্যমে বিমানবন্দরেই এই প্রবাসীদের সহায়তা করা হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, সুমনের মতো আরও ১৪৮ জন মানসিক ভারসাম্য হারানো প্রবাসীকে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। গত আট বছরে সিভিল এভিয়েশন, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার সহযোগিতায় ৩৭ হাজারেরও বেশি মানুষকে সহায়তা করা হয়েছে। শুধুমাত্র ২০২৪ সালে ৪০ জন প্রবাসীকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।











