বৈরী আবহাওয়ার কারণে ওমান প্রবাসী নুরুল আলমের মরদেহ কুমিরা ঘাটে আটকে রয়েছে। পরিকল্পিত সময়মতো সন্দ্বীপে দাফনের ব্যবস্থা সম্ভব না হওয়ায় তার পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ রাত ও অনিশ্চিত যাত্রার প্রহর কাটাচ্ছেন।
নুরুল আলম তিন মাস আগে ওমান থেকে দেশে ফিরে এসেছিলেন। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি এক মাস ধরে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসা শেষে এ মাসে ফের ওমানে যাওয়ার জন্য টিকিটও বুকিং করা হয়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।
নুরুল আলমের বাড়ি সন্দ্বীপের সারিকাইত ২ নম্বর ওয়ার্ডের আলিয়ান সমাজে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, বড় ছেলে আরমান উদ্দিন রোহান (অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী) ও ছোট ছেলে আকিব উদ্দিন রুকন (এইচএসসি পরীক্ষার্থী) রেখে গেছেন।
আরও
অব্যাহত বর্ষণ ও ঘূর্ণিঝড়জনিত সতর্কতার কারণে সন্দ্বীপে যাতায়াত ব্যাহত হওয়ায় পরিবার ও স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন ও হতাশার মধ্যে রয়েছেন। নুরুল আলমের মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।











