ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগরে প্রবাসী শিহাব হোসেন সাগরের বাড়িতে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে অনশনে বসেন সীমা বেগম নামের এক তরুণী। তার অনশনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ভাইরাল হয়। পরে বিভিন্ন অভিযোগ প্রকাশ পেতে থাকে, যার ফলে সীমা দ্রুত অনশন ভেঙে নিজ জেলা নওগাঁয় চলে যান।

স্থানীয় প্রবাসী সাগরের পরিবার অভিযোগ করেছেন, সীমা বিভিন্ন প্রবাসী পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে অর্থ হাতিয়ে নিতেন এবং অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করতেন। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রবাসীর মান সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং সীমার বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তি ও বিচার চাওয়া হচ্ছে।
আরও
সাগরের বাবা ইলিয়াস মৃধা জানান, তার ছেলে ওমানে দীর্ঘ ১০ বছর প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন এবং চার বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছে। তাদের এক দেড় বছরের মেয়ে সন্তান রয়েছে। হঠাৎ সীমা ছেলের বউ দাবি করে তাদের বাড়িতে এসে ওঠেন এবং প্রবাসীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নেন।
![]()
![]()
পরিবারের দাবিতে জানা গেছে, সীমা দেশে ফিরে আসার পরও প্রবাস ফেরত পুরুষদের টার্গেট করে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ভিডিও ও ছবি ব্যবহার করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, ব্ল্যাকমেইল এবং প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।


লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, সীমা ঢাকায় একটি কাবিননামা দেখিয়ে বিয়ে দাবি করেছেন। তবে কাবিননামায় সঠিক তথ্য ছিল না। তাই এ ধরনের আইনি কার্যক্রমের জন্য তাদেরকে ঢাকার সংশ্লিষ্ট থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।










