সর্বশেষ

যে কারণে ওমানের ভিসা বন্ধ!

Oman flag and visa applicationProbashir city Popup 19 03

ওমানের কঠোর আইনের বাস্তবতায় সবাইকে নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়, এমন মন্তব্য করেছেন প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করা সংশ্লিষ্টরা। দেশটিতে আইন ভঙ্গ করে পার পাওয়ার সুযোগ নেই বলেও তারা মনে করেন। ওমান সরকার যদি কোনো বিদেশিকে নিজ দেশে ফেরত পাঠায়, তাহলে তার পেছনে অবশ্যই অপরাধের সুনির্দিষ্ট কারণ ও প্রমাণ থাকে। গত এক যুগে প্রায় আট লাখ বাংলাদেশি ওমানে কাজ করছেন, তাদের মধ্যে মাত্র ১৫–২০ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে, যারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ অপরাধে জড়িত ছিলেন।

কিন্তু দেশে ফিরে অনেকেই আত্মীয়-স্বজনের কাছে প্রকৃত ঘটনা গোপন করে অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করেন। এতে ব্যক্তি নয়, দেশের ভাবমূর্তিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে এমন একটি দেশে যেখানে সভা-সমাবেশ, রাজনীতি কিংবা যেকোনো প্রকার সংগঠন নিষিদ্ধ, সেখানে কিছু বাংলাদেশি ‘সংগঠনের’ নামে গোপনে অপতৎপরতায় লিপ্ত থাকেন। এতে ওমান সরকারের দৃষ্টিতে বাংলাদেশিদের প্রতি অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে।

এই অনভিপ্রেত কর্মকাণ্ডের কারণে শুধু বাংলাদেশি প্রবাসীদের নয়, পুরো দেশের ওপরই নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এর পরিণতিতে ওমানের ভিসা নীতিতেও কঠোরতা এসেছে, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে ফেরত আসেন, তাদের দেশের মাটিতে এনে আইনের আওতায় আনা জরুরি। যাতে তারা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পান এবং ভবিষ্যতে কেউ এমন দুঃসাহস করার আগে চিন্তা করেন।

অপরাধ লুকিয়ে দেশবাসীর সহানুভূতি আদায়ের এই প্রবণতা বন্ধ না হলে, প্রবাসীদের অর্জিত সম্মান ও দেশের ভাবমূর্তি আরও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও দেখুনঃ

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।

Probashir city Popup 19 03
Probashir city Squre Popup 19 03