কুয়েতে একই দিনে সাতজন দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দেশটির কেন্দ্রীয় কারাগারে এ ফাঁসি কার্যকর হয়। কুয়েতি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনজন কুয়েতি নাগরিক, দুজন বাংলাদেশি এবং দুজন ইরানি ছিলেন।
স্থানীয় দৈনিক আল-সেয়াসাহ ও আরব টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদক চোরাচালানের মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ ছিল। এর মধ্যে কুয়েতি নাগরিক আবদুল আজিজ আল-জাতারি ও আহমেদ আল-জালালের হত্যাকাণ্ডে জড়িত কয়েকজনকেও এদিন ফাঁসিতে ঝুলানো হয়। অন্যদিকে দুই ইরানি নাগরিককে মাদক পাচারের অপরাধে দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাজাপ্রাপ্ত এক আসামির পরিবার প্রায় ২০ লাখ কুয়েতি দিনার ব্লাড মানি প্রদানের চেষ্টা করেছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ প্রদান সম্ভব না হওয়ায় তার মৃত্যুদণ্ডও কার্যকর করা হয়।
আরও
এছাড়া, একজন বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করায় তা স্থগিত করা হয়েছে। নতুন আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তার দণ্ড কার্যকর করা হবে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মানবিক কারণে ওই আসামির নাম প্রকাশ করা হয়নি।
কুয়েত সরকার দাবি করেছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে প্রতিটি মামলায় সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া—আপিল, রিভিউ ও পর্যালোচনা সম্পন্ন করা হয়েছে। আইন অনুযায়ীই এসব দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।











