আমেরিকা-ইসরায়েল বনাম ইরান সংঘাতের প্রভাব এবার সরাসরি এসে পড়ল সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে। থমকে গেছে বাণিজ্য তরি, রুদ্ধ হয়েছে সমুদ্রপথ। আর তার ফলেই মরু শহর দুবাই কি এবার অনাহারে দিন কাটাবে? দুবাইতে মাত্র আট দিনের খাবার অবশিষ্ট আছে—এমন খবর বের হতেই বাড়ছে দুশ্চিন্তা।
রুদ্ধ হরমোজ প্রণালী: থমকে গেছে বাণিজ্যের চাকা
ইরানের কঠোর পদক্ষেপে বন্ধ হয়ে গেছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুট হরমোজ প্রণালী। এই একটি পথ বন্ধ হওয়ায় আরব উপসাগরের দেশগুলোর শ্বাসরোধ হওয়ার জোগাড়। পণ্যবাহী জাহাজগুলো এখন মাঝসমুদ্রে অসহায় দাঁড়িয়ে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে দুবাইয়ের বাজারে।
পরিসংখ্যান ও বর্তমান পরিস্থিতি
পরিসংখ্যান বলছে এক ভয়াবহ বিপদের কথা। বিশেষজ্ঞদের দাবি:
আরও
দুবাইয়ের টাটকা ফলমূল এবং শাকসবজির মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।
লজিস্টিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান মজুদ দিয়ে বড়জোর আর ৮ থেকে ১০ দিন চলা সম্ভব।
গালফ অঞ্চলের দেশগুলো তাদের মোট খাদ্যের প্রায় ৮০% থেকে ৯০% আমদানি করে।
এই আমদানির ৭০% আসে বিতর্কিত হরমোজ প্রণালী দিয়ে।
শুধু সমুদ্রপথ নয়, যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে আকাশপথেও। রুট পরিবর্তন এবং ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এয়ার কার্গোর খরচ এখন আকাশচুম্বী।
সরকারের আশ্বাস ও বিকল্প ব্যবস্থা
ভয়াবহ এই জল্পনার মাঝে মুখ খুলেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় জনগণকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছে:
তাদের হাতে অন্তত ৪ থেকে ৬ মাসের প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার বা এসেনশিয়াল গুডসের মজুদ রয়েছে।
আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটা (Panic Buying) না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
লুলু গ্রুপ-এর মতো বড় রিটেল চেইনগুলো ভারতসহ অন্যান্য দেশ থেকে জরুরি ভিত্তিতে শাকসবজি আমদানির জন্য নিজস্ব চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।











