মধ্যপ্রাচ্য দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার শ্রমিকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসংস্থান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই অঞ্চলের অনেক দেশ অবকাঠামো, নির্মাণ, গৃহকর্মী, সেবা এবং শিল্পখাতে বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ করে থাকে। তবে সব দেশ সমানভাবে সুবিধা ও সুযোগ দেয় না।
শ্রমিকদের জন্য সবচেয়ে সম্ভাবনাময় দেশগুলোর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, কাতার, ওমান ও কুয়েত উল্লেখযোগ্য। সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিশেষ করে দুবাই ও আবুধাবির মতো শহরে নির্মাণ শ্রমিক, ড্রাইভার, নিরাপত্তাকর্মী, ক্লিনার, রেস্টুরেন্ট কর্মী ও টেকনিক্যাল কাজের চাহিদা বেশি। এখানে সাধারণ শ্রমিক মাসে ৮০০ থেকে ১২০০ দিরহাম (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৫-৪০ হাজার) আয় করতে পারেন।
সৌদি আরব সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার হিসেবে পরিচিত। নির্মাণ, পরিবহন, গৃহকর্মী ও শিল্পশ্রমিকদের জন্য এখানে সুযোগ প্রচুর। মাসিক আয় সাধারণত ৯০০-১২০০ রিয়াল (প্রায় ২৬-৩৫ হাজার টাকা)। তবে কোম্পানি বা নিয়োগকর্তার ধরনভেদে সুবিধা ও বেতন ভিন্ন হতে পারে।
আরও
কাতারে বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজনের পরও অবকাঠামো খাতে কর্মসংস্থান রয়েছে। শ্রমিকরা মাসে ১২০০-১৫০০ কাতারি রিয়াল (প্রায় ৩৬-৪৫ হাজার টাকা) আয় করতে পারেন, যেখানে থাকার ও খাওয়ার বেশিরভাগ সুবিধা নিয়োগকর্তা বহন করে।
ওমান ও কুয়েতে শ্রমিকদের চাহিদা কিছুটা কম হলেও কর্মপরিবেশ নিরাপদ ও সুবিধাজনক। ওমানে মাসিক বেতন গড়ে ১০০-১৫০ ওমানি রিয়াল (প্রায় ২৮-৪০ হাজার টাকা) এবং কুয়েতে ৯০-১৩০ কুয়েতি দিনার (প্রায় ৩০-৪২ হাজার টাকা)। দক্ষতা থাকলে এই আয়ের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।









