ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় হুথি বিদ্রোহীদের প্রধানমন্ত্রী আহমেদ আল-রাহাভি নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় টেলিভিশন আল-জুমহুরিয়া নিশ্চিত করেছে। এ ঘটনায় তার কয়েকজন সহকর্মীও প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে দৈনিক আদেন আল-গাদ। হামলাটি সানার বাইরে হুথি সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ একাধিক শীর্ষ নেতাকে লক্ষ্য করে চালানো আরেকটি অভিযানের পাশাপাশি সংঘটিত হয়।
ইসরায়েলি চ্যানেল কান জানিয়েছে, নিহত রাহাভি প্রায় এক বছর ধরে হুথি সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে তিনি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাননি। এদিকে আরব সংবাদমাধ্যম বলছে, রাজধানী সানায় অন্তত ১০ দফা বিমান হামলা চালানো হয়। এমনকি প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের ভেতরেও হামলা হয়েছে, যেখানে হুথি সরকারের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সানায় হুথিদের শাসন ও সামরিক কাঠামোর বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ ও সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির অভিযানের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থার মাধ্যমে এ অভিযানের তত্ত্বাবধান করেন।
আরও
ঘটনার কয়েক দিন আগে হুথি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলের দিকে দুটি ড্রোন নিক্ষেপ করে, যা আইডিএফ ভূপাতিত করে। এর আগে গত রোববার সানার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও বিদ্যুৎকেন্দ্রেও ইসরায়েল বিমান হামলা চালিয়েছিল। সতর্কবার্তায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ বলেন, “যে কেউ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হাত তুলবে, তার হাত কেটে ফেলা হবে।”












