বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা নির্ধারণে সাধারণত মার্কিন ডলারের বিপরীতে বিনিময় হার ধরা হয়। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস সম্প্রতি প্রভাবশালী ১০টি মুদ্রার তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে শীর্ষে রয়েছে কুয়েতি দিনার। এক কুয়েতি দিনারের বিপরীতে ৩ দশমিক ২৬ মার্কিন ডলার পাওয়া যায়, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৯৭ টাকা। কুয়েত তেল রপ্তানির মাধ্যমে বিপুল অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জন করেছে।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাহরাইনি দিনার, যার মূল্য ২ দশমিক ৬৫ মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩২২ টাকা। উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম বহুমুখী অর্থনীতির দেশ বাহরাইন জিডিপিতে তেল খাতের বাইরের অবদান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ওমানি রিয়াল, যার মূল্য ২ দশমিক ৬০ মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩১৬ টাকা। তেল ও গ্যাস রপ্তানিতে সমৃদ্ধ এ দেশটি ১৯৭০-এর দশক থেকে রিয়াল ব্যবহার করছে।
আরও


চতুর্থ স্থানে আছে জর্ডানি দিনার, যার বর্তমান মূল্য ১ দশমিক ৪১ মার্কিন ডলার বা প্রায় ১৭১ টাকা। তেল ও গ্যাস রপ্তানির ওপর তুলনামূলক কম নির্ভরশীল হলেও জর্ডান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও ঋণ সংকটের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে ব্রিটিশ পাউন্ড, যা ১৫ শতাব্দী থেকে প্রচলিত। বর্তমানে এর মূল্য ১ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার বা প্রায় ১৬১ টাকা। একই দরে বাঁধা জিব্রাল্টার পাউন্ড ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে।


সপ্তম স্থানে রয়েছে সুইস ফ্রাঁ, সুইজারল্যান্ড ও লিচেনস্টাইনের সরকারি মুদ্রা, যার মূল্য ১ দশমিক ২১ মার্কিন ডলার বা প্রায় ১৪৭ টাকা। অষ্টম স্থানে কেম্যান ডলার (১ দশমিক ২০ মার্কিন ডলার), নবম স্থানে ইউরো (১ দশমিক ১৩ মার্কিন ডলার) এবং দশম স্থানে রয়েছে মার্কিন ডলার নিজেই। যদিও মূল্যমানের দিক থেকে শীর্ষে নয়, তবে বৈশ্বিক লেনদেন ও রিজার্ভে মার্কিন ডলারের আধিপত্য সর্বাধিক।
বর্তমানে বিশ্ববাজারে তেল, স্বর্ণ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের দাম নির্ধারণে মার্কিন ডলারই প্রধান মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া অধিকাংশ দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবেও ডলারের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি।










