দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ‘বৃহৎ ইসরায়েল’ প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, যার অন্তর্ভুক্ত থাকবে মিসর ও জর্ডানের পাশাপাশি সিরিয়া ও লেবাননের অংশ, এবং পুরো ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ভূখণ্ড।
১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের মাধ্যমে ফিলিস্তিনের জমি দখল করে ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠিত হয়। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখল করে রাষ্ট্রটির পরিধি বেড়েছে। এখন তাদের লক্ষ্য স্বাধীন আরও চারটি দেশের অংশ দখল করা।
গত মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) আই২৪ নিউজের এক অনুষ্ঠানে অংশ নেন যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত নেতানিয়াহু। অনুষ্ঠানে উপস্থাপক শ্যারন গাল তাকে ‘বৃহৎ ইসরায়েল’-এর মানচিত্র সংবলিত একটি অ্যামুলেট উপহার দেন এবং জানতে চান তিনি কি এমন রাষ্ট্র গঠন চান। উত্তরে নেতানিয়াহু বলেন, “অনেক চাই”। তিনি দাবি করেন, এই লক্ষ্য তার জন্য এক ঐতিহাসিক ও ঐশ্বরিক মিশন।
আরও
ইসরায়েল গত দুই বছর ধরে পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা, দক্ষিণ লেবানন এবং দক্ষিণ সিরিয়ায় দমন-পীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে। সমালোচকদের মতে, এসব পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য এই অঞ্চলগুলো দখল করে ‘বৃহৎ ইসরায়েল’ গঠন করা।
এর আগে, গত বছর ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজায়েল স্মোরিচও একই বক্তব্য দেন। তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলের সীমানা সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক পর্যন্ত বিস্তৃত করা হবে এবং ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সম্ভাব্য রাজধানী জেরুজালেমও ইসরায়েলের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।









