ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ধারাবাহিক ড্রোন ও মিসাইল হামলায় চরম চাপের মুখে পড়েছে ইসরায়েল। সাম্প্রতিক হামলায় ইসরায়েলের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ড্রোন দিয়ে আঘাত হানা হয়েছে, যা দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। এই ঘটনায় মোট পাঁচটি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইয়েমেনের বিদ্রোহীরা।
এক বিবৃতিতে তারা জানায়, প্রথম হামলা চালানো হয় ইসরায়েল অধিকৃত ইয়াফা এলাকায়, যেখানে দুটি ড্রোনের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আঘাত হানা হয়। এরপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় হামলায় আসকেলন ও নেগেভ অঞ্চলে সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে আরও তিনটি ড্রোন ব্যবহার করা হয়।
বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দাবি, সবগুলো অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং গাজায় আগ্রাসন ও অবরোধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই ধরনের হামলা অব্যাহত থাকবে। তারা আরও জানিয়েছে, এই হামলা হচ্ছে তাদের প্রতিরোধ যুদ্ধের অংশ, যা ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে পরিচালিত হচ্ছে।
আরও
অন্যদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ড্রোন তারা সফলভাবে ভূপাতিত করেছে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সব ধরনের হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
উল্লেখ্য, এর আগে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী ঘোষণা দিয়েছিল, তারা এখন থেকে ইসরায়েলি বন্দর ব্যবহারকারী জাহাজগুলোকেও তাদের নৌ অবরোধের আওতায় আনবে। এতে করে সামুদ্রিক বাণিজ্যে নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।










