সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক পানশালায় ‘অমর্যাদাকর’ আচরণের অভিযোগে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়োসি আব্রাহাম শেলিকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। হিব্রু সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ জানায়, আবুধাবি কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা আর এই রাষ্ট্রদূতকে গ্রহণ করতে চায় না। এরপরই ইসরায়েল সরকার তাকে ফেরত আনার সিদ্ধান্ত নেয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শেলি সম্প্রতি কয়েকজন ইসরায়েলিকে নিয়ে আবুধাবির একটি পানশালায় যান। সেখানে তার আচরণ আমিরাতি মূল্যবোধ ও সামাজিক রীতিনীতির পরিপন্থী ছিল বলে দাবি করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। তার সঙ্গীদের মধ্যে নারীরাও ছিলেন এবং সবার আচরণকে ‘মর্যাদাহানিকর’ আখ্যা দেওয়া হয়।
২০২০ সালে আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের সমালোচনার মাঝেও আমিরাত এখনো দেশটির অন্যতম ঘনিষ্ঠ আরব মিত্র। এমন পরিস্থিতিতে শেলির বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপকে আমিরাতের পক্ষ থেকে একটি নজিরবিহীন বার্তা হিসেবেই দেখছে বিশ্লেষকরা।
আরও
ইতোপূর্বে ব্রাজিলে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালনকালে শেলি কয়েকটি বিতর্কিত ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। সেখানে এক নারী অভিযোগ করেন, ভিসার বিষয়ে যোগাযোগ করতে গিয়ে তিনি শেলিকে অর্ধনগ্ন অবস্থায় ভিডিও কলে পেয়েছেন এবং ব্যক্তিগত ডিনারের আমন্ত্রণে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েন। এছাড়া একটি ইহুদি খাদ্যবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা নিয়েও তখন বিতর্ক হয়।
২০২৪ সালের নভেম্বরে শেলিকে আমিরাতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। যদিও তৎকালীন প্রশংসা থাকলেও, সাম্প্রতিক ঘটনায় শেলির কূটনৈতিক ক্যারিয়ার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।










