ইসরায়েলের সঙ্গে প্রস্তাবিত ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির সর্বশেষ উদ্যোগটি প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠন হামাস। এর ফলে কাতারের রাজধানী দোহায় চলমান শান্তি আলোচনা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত একটি কাতারি খসড়া চুক্তির আলোকে এই আলোচনার আয়োজন করা হয়েছিল।
এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েল-গাজা সংঘাতে একটি সাময়িক বিরতি আনা এবং উভয় পক্ষের হাতে থাকা কিছু জিম্মি মুক্তির ব্যবস্থা করা। তবে প্রস্তাবিত পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ—ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ইস্যুতে মতপার্থক্য দেখা দেয়, যা আলোচনার অগ্রগতিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গাজার ভূখণ্ড থেকে কতসংখ্যক ইসরায়েলি সেনা সরিয়ে নেওয়া হবে, তা স্পষ্ট না করায় তারা প্রস্তাবটি মেনে নিতে পারেনি। যদিও প্রস্তাবটি ইসরায়েলের সমর্থন পেয়েছিল, তবুও হামাসের আপত্তির কারণে তা বাস্তবায়নের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে পড়ে।
আরও
বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক জ্যেষ্ঠ ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা মন্তব্য করেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কৌশলে সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফরকে কাজে লাগিয়ে দোহায় এমন একটি প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছেন, যাদের প্রকৃত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নেই।
বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন কোনো আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত নেই বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এতে করে গাজা উপত্যকার চলমান মানবিক সংকট আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।








