মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান থেকে ছোড়া একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্রে থরথর করে কাঁপছে ইসরায়েল। দেশটির বিভিন্ন শহরে বিমান হামলার সতর্কতা হিসেবে টানা বেজে চলেছে সাইরেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো দক্ষিণ ও মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হেনেছে, যার মধ্যে আসদোদ, লাচিস এবং জেরুজালেম সংলগ্ন এলাকাও রয়েছে।
টাইমস অব ইসরায়েলের বরাত দিয়ে জানা গেছে, জেরুজালেমে সাইরেন বাজার সঙ্গে সঙ্গে ইসরায়েলি সংসদ সদস্যদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরিস্থিতির জটিলতার কারণে পশ্চিম তীর ও ইসরায়েলের ভেতরে সাংবাদিকদের রিপোর্টিং নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। ফলে আল জাজিরাসহ কিছু সংবাদমাধ্যম প্রতিবেশী দেশ জর্ডান থেকে খবর সংগ্রহ করছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৫০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যার অন্তত ৪টি সরাসরি ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হেনেছে। একটানা ৩৫ মিনিট ধরে সাইরেন ও বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র এখনো জানা না গেলেও সেনাবাহিনীর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে অধিকাংশ তথ্য প্রচারে বাধা রয়েছে।
আরও
উল্লেখযোগ্যভাবে, ইসরায়েলের ওপর ইরানের এই পাল্টা হামলা আসে ১৩ জুনের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায়, যেদিন ইসরায়েল বড় ধরনের এক অভিযানে ইরানের পরমাণু স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি এবং আবাসিক এলাকায় ভয়াবহ হামলা চালায়। এতে প্রায় ৪০০ জন প্রাণ হারান, যাদের মধ্যে ছিলেন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ও পরমাণু বিজ্ঞানীরাও।
‘অপারেশন ট্রু প্রমিস থ্রি’ নামে ইরানের পক্ষ থেকে শুরু হওয়া পাল্টা অভিযানে ২৩ জুন পর্যন্ত ২১ দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। সর্বশেষ হামলায় ইরান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে সফলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাতের মাত্রা ক্রমেই বাড়ছে এবং পরিস্থিতি এখনো ভয়াবহ রকমের উত্তপ্ত।






![]gfd](https://probashtime.net/wp-content/uploads/2026/03/gfd.webp)




