ইরানজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৫৮৫ জন নিহত ও ১,৩২৬ জন আহত হওয়ার তথ্য প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস। নিহতদের মধ্যে ২৩৯ জন বেসামরিক নাগরিক এবং ১২৬ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য বলে জানানো হয়েছে। এ তথ্য দ্য টাইমস অব ইসরায়েল-এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
HRA পূর্বেও ২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভে হতাহতের সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশ করে আলোচনায় আসে। সংস্থাটি ইসলামিক রিপাবলিক ইরানের অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনগুলো যাচাই করে তাদের নিজস্ব সোর্স নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য যাচাই-বাছাই করে থাকে।
অন্যদিকে, ইরান সরকার হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশে অনীহা প্রকাশ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকার কর্তৃক সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা ২২৪ এবং আহতের সংখ্যা ১,২৭৭ জন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, ইরান অতীতেও হতাহতের সংখ্যা কমিয়ে দেখানোর ইতিহাস রয়েছে।
আরও
ইসরায়েলের হামলা থেমে নেই। সর্বশেষ ২০ মিনিটে অন্তত ৩০টি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জর্ডানের সংবাদমাধ্যম রয়া নিউজ। এই পরিস্থিতিতে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এক বিবৃতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণার কথা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ তিনি লেখেন, ‘মহান হায়দারের নামে যুদ্ধ শুরু হচ্ছে।’ এখানে হায়দার নামে তিনি ইমাম আলী (রা.)-এর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েলকে ‘সন্ত্রাসী শাসন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে এর বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।










