সর্বশেষ

কুয়েতে ফ্রি ভিসা বলে কিছু নেই: রাষ্ট্রদূত

There is no such thing as a free visa in kuwait ambassadorCity ads Investment (1)

বাংলাদেশিদের কুয়েতগমন নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন। তিনি বলেছেন, বিদেশে পাড়ি জমানোর আগে ভিসার ধরণ, কাজের প্রকৃতি, বেতন ও কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির শর্তাদি ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করা জরুরি। এতে করে প্রতারণা ও পরবর্তীকালের জটিলতা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

সম্প্রতি কুয়েতের বিভিন্ন পেশাজীবী প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন। তিনি জানান, কোনো প্রবাসী মারা গেলে তার মরদেহ দেশে পাঠানোর সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কফিল বা কোম্পানির। অথচ অনেক প্রতারক চক্র দেশে ‘ফ্রি ভিসা’ দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে, যা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা ও প্রতারণামূলক।

রাষ্ট্রদূত আরও ব্যাখ্যা করেন, কুয়েত সরকার মূলত দুই ধরনের ভিসা প্রদান করে— আর্টিকেল ১৮ এবং আর্টিকেল ২০। প্রথমটি কোম্পানির ভিসা এবং দ্বিতীয়টি গৃহকর্মীদের জন্য নির্ধারিত। প্রতিটি ভিসার সঙ্গে নির্দিষ্ট স্পন্সর বা কফিল যুক্ত থাকে এবং সেই নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অধীনেই কাজ করতে হয়। এ নিয়ম উপেক্ষা করে অন্য কোথাও কাজ করলে তা কুয়েতের আইন অনুযায়ী অবৈধ।

তিনি সবাইকে সতর্ক করে বলেন, “ফ্রি ভিসা” বলে কিছু নেই, এটি একটি বিভ্রান্তিকর শব্দ। কুয়েতে গিয়ে নিজের ইচ্ছামতো কাজ করা আইনত বৈধ নয়। যারা এ ধরনের লোভনীয় প্রস্তাবে কান দেন, তারা শেষ পর্যন্ত হয়রানি ও জেল-জরিমানার মুখে পড়েন।

রাষ্ট্রদূত প্রবাসে সফলতা অর্জনের জন্য দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, দক্ষ কর্মীরা সবসময় ভালো বেতন ও সম্মান পেয়ে থাকেন। তাই বিদেশে পাড়ি দেওয়ার আগে অবশ্যই পেশাগত দক্ষতা অর্জন করে আসা উচিত।

আরও দেখুন:

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।

Probashir city Popup
Probashir city Squre Popup