গাজার শরণার্থী শিবির ও রাফাহ শহরে খাদ্য বিতরণের সময় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। এ ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
৯ ডিসেম্বর, সোমবার সকালে গাজার উত্তরাঞ্চলীয় জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে এই হামলা ঘটে। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে জানা গেছে, প্রথমে একটি ড্রোন থেকে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনজন নিহত হন। পরে দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরে খাদ্য বিতরণের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা আরও ১০ জন প্রাণ হারান।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের অবিরাম আক্রমণের ফলে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধের মারাত্মক সংকটের মধ্যে পড়েছেন তারা। এর ফলে গাজায় সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
এদিকে, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজায় একটানা বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এই আক্রমণের ফলে গাজার হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আরও
এ পর্যন্ত গাজার ওপর ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৪৪,৭৫৮ জন নিহত এবং এক লাখ ৬ হাজার ৫০ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, হামাসের হামলায় ইসরায়েলে নিহত হয়েছেন ১,১৩৯ জন, এবং ২০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি নাগরিক বন্দি রয়েছেন।











