আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারি ও বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য ছুটির তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দেশটির ফেডারেল অথরিটি ফর গভর্নমেন্ট হিউম্যান রিসোর্সেস এবং মিনিস্ট্রি অব হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড এমিরাতাইজেশন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ছুটির ঘোষণা দিয়েছে। আগামী মার্চের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া এই ছুটি সরকারি কর্মীদের জন্য চার দিন পর্যন্ত স্থায়ী হবে। অন্যদিকে পবিত্র রমজান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হলে বেসরকারি খাতের কর্মীদের ছুটির মেয়াদও এক দিন বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে।
দাপ্তরিক ঘোষণা অনুযায়ী, আমিরাতের ফেডারেল সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীদের জন্য আগামী ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২২ মার্চ (রোববার) পর্যন্ত ছুটি থাকবে। ঈদের ছুটি শেষে ২৩ মার্চ (সোমবার) থেকে পুনরায় সরকারি দপ্তরগুলোতে স্বাভাবিক দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হবে। অন্যদিকে বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য প্রাথমিকভাবে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২১ মার্চ (শনিবার) পর্যন্ত তিন দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রমজান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হলে বেসরকারি খাতের ছুটি এক দিন বাড়িয়ে ২২ মার্চ (রোববার) পর্যন্ত কার্যকর করা হবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে পবিত্র ঈদুল ফিতর কবে উদ্যাপিত হতে পারে, তা নিয়ে গালফ নিউজের পৃথক একটি প্রতিবেদনে সরকারি ক্যালেন্ডার ও ধর্মবিষয়ক সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আগামী ১৮ মার্চ শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে ১৯ মার্চ দেশটিতে ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হবে। আর ওই দিন চাঁদ দেখা না গেলে রমজান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হবে এবং সে ক্ষেত্রে ২০ মার্চ (শুক্রবার) ঈদ উদ্যাপন করা হবে। সাধারণত দেশটির সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী শাওয়াল মাসের ১ থেকে ৩ তারিখ পর্যন্ত টানা তিন দিন ঈদের ছুটি থাকে। তবে ঈদের চূড়ান্ত তারিখ ও আনুষ্ঠানিক ছুটি পুরোপুরি নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর।
আরও
দেশটির নিয়ম অনুযায়ী, রমজান মাসের ২৯তম দিনে সরকারি চাঁদ দেখা কমিটি আকাশ পর্যবেক্ষণ করে ঈদ পালনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিয়ে থাকে। ইসলামি বর্ষপঞ্জির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে আগেভাগে এই ছুটির ঘোষণা দেওয়ায় প্রবাসী কর্মী ও স্থানীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব আগাম পরিকল্পনা সাজানোর পর্যাপ্ত সুযোগ পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।












