বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জুনিয়র গ্রাউন্ড সার্ভিস অফিসার মিজানুর রহমান শিশির এবং চেকিং স্টাফ কৃষ্ণ সুধার বিরুদ্ধে ‘বডি কন্ট্রাক্ট’ ও জাল ভিসায় মানবপাচারের গুরুতর অভিযোগ তুলেছে একটি গোয়েন্দা সংস্থা। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, শিশির ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে শাহজালাল ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে ইউরোপ-আমেরিকায় মানবপাচার করে আসছিলেন। গত ২৬ অক্টোবর যুক্তরাজ্যগামী এক যাত্রীকে অফলোড করার পর ১০ লাখ টাকার চুক্তিতে বোর্ডিং পাস ইস্যু করার বিষয়টি ফাঁস হয়, যেখানে কৃষ্ণ সুধার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, শিশির রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বদলি-বাণিজ্য, যাত্রীদের লাগেজ কেটে চুরি এবং ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ নেতাদের দেশত্যাগে সহায়তা করেছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হামলার অভিযোগে সিলেটে তার বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে। বর্তমানে শিশির যশোর স্টেশনে কর্মরত এবং কৃষ্ণ সুধাকে গ্রাউন্ডেড করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা মিললে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিমান কর্তৃপক্ষ।










