সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নারীরা সমাজে যখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই নারী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে ভারতের তামিলনাডুতে। সম্প্রতি কোয়েম্বাটুর বিমানবন্দরের কাছে এক কলেজছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে পুরো রাজ্যজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা দেখা দিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতে কোয়েম্বাটুরের একটি বেসরকারি কলেজের ওই ছাত্রী এক বন্ধুর সঙ্গে গাড়িতে ঘুরতে বের হন। পথে গাড়ি থামানোর পর দুষ্কৃতীরা তাঁদের ওপর হামলা চালায়। বন্ধুকে মারধর করে তরুণীকে অপহরণ করে তারা বিমানবন্দরের কাছে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। ঘটনার পর সোমবার অভিযুক্ত তিনজন—থাভাসি, কারুপ্পাসামী ও কাল্লাইসওয়ারনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আরও
গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করলে এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালে, আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালায়। এতে তিনজনই গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁদের আটক করে কোয়েম্বাটুর জেলা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনায় এক পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
এই নৃশংস ঘটনার পর তামিলনাডু রাজ্যে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। নারী নিরাপত্তা ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করেছেন তামিলনাডু বিজেপি সভাপতি কে. আন্নামালাই। এক্স (সাবেক টুইটার)–এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “ডিএমকে সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে তামিলনাডুতে এমন অপরাধ ক্রমাগত বেড়ে চলেছে, যা স্পষ্ট করে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার দুর্বল অবস্থা।”
স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা ও শিক্ষার্থীদের সংগঠনগুলোও ঘটনাটির দ্রুত বিচার এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছে।












