ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন কেনিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক রাইলা ওডিঙ্গা। বুধবার সকালে ভারতের দেবমাতা হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, সকালে হাঁটতে বেরিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন ওডিঙ্গা। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন এই প্রবীণ নেতা। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে কেনিয়া এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।

আরও
কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো ওডিঙ্গাকে ‘সাহসের প্রতীক’ ও ‘গণতন্ত্রের পিতা’ হিসেবে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি জানান, দেশটির জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার পাশাপাশি সাত দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। ওডিঙ্গাকে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় দাফন করা হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।
বিশ্বনেতারাও তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওডিঙ্গাকে ভারতের “প্রিয় বন্ধু” আখ্যা দেন। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বলেন, ওডিঙ্গা ছিলেন আফ্রিকা মহাদেশের স্বার্থরক্ষাকারী এক মহান নেতা।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে রাইলা ওডিঙ্গা পাঁচবার প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হয়েছিলেন। ২০০৭ সালের সহিংস নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় গঠিত ক্ষমতা ভাগাভাগির সরকারের প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের আন্দোলনে জীবনের দীর্ঘ সময় কারাভোগ করা এই নেতার মৃত্যুতে কেনিয়ার রাজনীতিতে সৃষ্টি হয়েছে এক গভীর শূন্যতা।











