ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে রাতভর যৌথ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। আজ শনিবার সকালে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার সাংবাদিক তৌহিদ আসাদি তেহরান থেকে জানান, রাজধানীর পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চল লক্ষ্য করে দীর্ঘ সময় ধরে এই হামলা চালানো হয়। এ সময় তেহরানে বড় বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। হামলা শুধু রাজধানীতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, লাখ লাখ মানুষের বসবাস থাকা শিল্পনগরী ইসফাহানও এই হামলায় কেঁপে ওঠে।
হামলার ধরন দেখে আল-জাজিরার এই সাংবাদিক মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এখন ইরানের শিল্প অবকাঠামোকে বেশি লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। তেহরান ও ইসফাহান ছাড়াও উরমিয়া, খোররামাবাদ, কারাজ এবং কোম শহরেও বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা গেছে। এর মধ্যে কারাজের বি-১ সেতুতে চালানো যৌথ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান এই যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ইরানি কর্মকর্তারা পাকিস্তানে গিয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যেসব শর্ত দিচ্ছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। গতকাল শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুদ্ধ বন্ধে আঞ্চলিক মধ্যস্থতার এই প্রচেষ্টা এখন পুরোপুরি থমকে গেছে।
আরও
পাকিস্তান কোনো ফলাফল বের করতে না পারায় ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য ইসলামাবাদে তারা কোনো প্রতিনিধি পাঠাবে না। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের বদলে এখন কাতার ও তুরস্ক মধ্যস্থতার নতুন উদ্যোগ নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।








