ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছোট ভাই ইদ্দো নেতানিয়াহু ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের এই হামলায় ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের বাসভবনেও আগুন লাগার খবর ছড়িয়েছে। গতকাল সোমবার (৯ মার্চ) ‘টাইমস অব ইসলামাবাদ’ জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক স্কট রিটারের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করে।

জাতিসংঘের সাবেক এই কর্মকর্তা সম্প্রতি রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আরটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর তিন ভাইয়ের মধ্যে ইদ্দো নেতানিয়াহু সবার ছোট এবং তিনি পেশায় মূলত একজন চিকিৎসক ও নাট্যকার। স্কট রিটারের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েলের সিজারিয়া শহরে অবস্থিত নেতানিয়াহু পরিবারের বাসভবনে ইরানের ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইদ্দো প্রাণ হারান।
আরও
সাক্ষাৎকারে স্কট রিটার আরও দাবি করেন, ইসরায়েলের বহু স্তরের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেদ করেই ইরান সফলভাবে এই হামলা চালিয়েছে। তাঁর মতে, সদ্য প্রয়াত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়তুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার পর বৃহত্তর প্রতিশোধের অংশ হিসেবেই তেহরান এই নজিরবিহীন হামলা চালাচ্ছে।
তবে বাস্তব তথ্যের খাতিরে আপনাকে বিনীতভাবে একটি বিষয় জানিয়ে রাখতে চাই। আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা ও নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমগুলোর (যেমন হিন্দুস্তান টাইমস) অনুসন্ধান অনুযায়ী, ইদ্দো নেতানিয়াহুর নিহত হওয়া এবং ইতামার বেন-গভিরের বাড়িতে আগুন লাগার এই দাবিটি সম্পূর্ণ গুজব বা ভুয়া (Hoax)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু অনির্ভরযোগ্য উৎসে এই খবর ছড়িয়ে পড়লেও, ইসরায়েলি বা আন্তর্জাতিক কোনো অফিশিয়াল সূত্র এর বিন্দুমাত্র সত্যতা নিশ্চিত করেনি। মূলত বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে এ ধরনের অনেক ভুয়া খবর ছড়াচ্ছে।










