সর্বশেষ

ইরান হামলা অব্যাহত রাখলে যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেবে সৌদি আরব

ChatGPT Image Mar 9, 2026, 12 35 02 PMCity ads Investment (1)

উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের সাম্প্রতিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জেরে সৌদি আরবসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামোর নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে তেহরানকে কড়া বার্তা দিয়েছে রিয়াদ। গতকাল রোববার (৮ মার্চ) সৌদি আরবের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, হামলা অব্যাহত থাকলে বাধ্য হয়েই তারা নিজেদের ভূখণ্ডে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করবে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে জানা গেছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান গত শনিবার প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেন, তাঁদের এই হামলার সরাসরি লক্ষ্য কোনো উপসাগরীয় দেশ নয়, বরং ওই অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবকাঠামোগুলোকে নিশানা করা হচ্ছে। তবে সৌদি কর্মকর্তাদের মতে, বাস্তবে ইরানের এই আশ্বাসের কোনো প্রতিফলন এখনো লক্ষ করা যায়নি। এর আগে গত দুই দিন আগে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে এক ফোনালাপে রিয়াদের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। তিনি জানান, সৌদি আরব যেকোনো ধরনের মধ্যস্থতাকে স্বাগত জানায়; কিন্তু হামলা চলতে থাকলে রিয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

গত সপ্তাহে ইরানের দিক থেকে আসা হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন এবং সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। রিয়াদের দাবি, এসব হামলা উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলার পাশাপাশি পুরো আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যই এক গভীর সংকট তৈরি করেছে। অন্যদিকে ইরানের সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, তারা প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি পূর্ণ সম্মান বজায় রাখবে, তবে ওই অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সব সামরিক স্থাপনা ও সম্পদ তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বন্ধ করতেও কিছু উপসাগরীয় দেশকে সতর্ক করে দিয়েছে তেহরান।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ধারাবাহিক এই হামলা ও ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্য সংকট সমাধানে কূটনৈতিক তৎপরতার পথকে অনেকটাই সংকুচিত করে ফেলেছে। একই সঙ্গে এটি উপসাগরীয় অঞ্চলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোকে এক নজিরবিহীন বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

আরও দেখুনঃ

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।

Probashir city Popup
Probashir city Squre Popup