মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। শনিবার তেহরানসহ ইরানের পাঁচটি প্রধান শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি ইরানকে দমাতে এবং দেশটির সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করার ঘোষণা দিয়েছেন।
ট্রাম্প তাঁর বার্তায় সরাসরি সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা তুলে ধরে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ইরানের প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র ও পুরো ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া। পাশাপাশি দেশটির নৌবাহিনীকেও চিরতরে ধ্বংস করার কথা উল্লেখ করেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট ভাষায় জানান, মধ্যপ্রাচ্য বা বিশ্বকে অস্থিতিশীল করার মতো কোনো সুযোগ আর ইরানের মদদপুষ্ট গোষ্ঠীগুলোকে দেওয়া হবে না।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি যেকোনো মূল্যে বন্ধ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের কাছে আর কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না। ইরান সরকারকে সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর অপরাজেয় সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করার পরিণতি খুব শিগগিরই তারা বুঝতে পারবে।
আরও
এই যৌথ হামলার আগে গত ২২ জুন ফোর্দো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহানের মতো ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছিল মার্কিন যুদ্ধবিমান। মিত্রশক্তির প্রধান লক্ষ্য ছিল পাহাড়ের গভীরে অবস্থিত ফোর্দোর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রটি ধ্বংস করা। এরও আগে ১৩ জুন ইসরায়েল আকস্মিকভাবে ইরানের বেশ কয়েকটি পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি ধূলিসাৎ করে দেওয়া।










