ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য কোনো সামরিক অভিযানে নিজেদের আকাশসীমা ও ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না বলে জানিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ’র বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এই অবস্থান পরিষ্কার করেন।
ফোনালাপে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে মতপার্থক্য নিরসনের ওপর সৌদি আরবের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তাও উঠে আসে।
ইরানি গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যে থেকে যুদ্ধবিরোধী যে কোনো উদ্যোগকে স্বাগত জানানোর কথা বলেছেন।
আরও
এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতও (ইউএই) ঘোষণা দেয়, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ‘শত্রুতামূলক’ সামরিক তৎপরতায় তাদের আকাশসীমা, ভূখণ্ড বা আঞ্চলিক জলসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির খবরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানায়, মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের মতো বড় সামরিক সম্পদ ইতোমধ্যে ওই অঞ্চলে পৌঁছেছে—যা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।













