ইসরায়েলের সাম্প্রতিক ঘোষণায় সোমালিল্যান্ডকে ‘স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা জানিয়েছে সৌদি আরব। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে রিয়াদ জানায়, সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় ঐক্যের প্রতি তাদের দৃঢ় সমর্থন অব্যাহত থাকবে এবং ইসরায়েল–সোমালিল্যান্ডের পারস্পরিক স্বীকৃতিকে তারা স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সির বরাতে দেওয়া বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সোমালিয়ার ঐক্যের পরিপন্থি কোনো সমান্তরাল প্রশাসনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। সৌদি আরব নিশ্চিত করে জানায়, তারা সোমালিয়ার আইনগত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পূর্ণ সমর্থন প্রদান করে এবং দেশটির সার্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষার পক্ষে অবস্থান নেবে।
এদিকে একই দিন ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে সোমালিল্যান্ডকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা দেয়। এর মধ্য দিয়ে ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে একতরফা বিচ্ছিন্নতার পর প্রথমবারের মতো কোনো দেশের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায় অঞ্চলটি। সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সিদ্ধান্তটিকে ‘ঐতিহাসিক অগ্রগতি’ হিসেবে মূল্যায়ন করেন।
আরও
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার লক্ষ্যে সোমালিল্যান্ড দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তৎপরতা চালিয়ে আসছে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদিরাহমান মোহাম্মদ আবদুল্লাহি দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করেন।
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতির সংবেদনশীল এই সময়ে ইসরায়েলের পদক্ষেপ আঞ্চলিক টানাপড়েন বাড়াতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। অন্যদিকে সৌদি আরবের এই প্রতিক্রিয়া সোমালিয়ার প্রতি তাদের ঐতিহ্যগত সমর্থনের ধারাবাহিকতা পুনর্ব্যক্ত করেছে।












