জার্মানিতে এক দম্পতির সন্তান নেওয়ার প্রচেষ্টা অস্বাভাবিক এক ঘটনায় রূপ নিয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত দুই পরিবারের সামনে চমকে দেওয়ার মতো সত্য উন্মোচন করেছে। দাম্পত্য সুখ থাকলেও, একাধিক পরীক্ষা শেষে জানা যায়—স্বামী দিমিত্রিয়াস শারীরিক সমস্যার কারণে সন্তান জন্ম দেওয়ার সক্ষমতা হারিয়েছেন। সন্তান নেওয়ার আকাঙ্ক্ষায় তিনি প্রতিবেশি এক যুবককে আর্থিক প্রস্তাব দিয়ে স্ত্রীর গর্ভধারণ নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেন।
প্রতিবেশি ওই যুবকও রাজি হন এবং চুক্তি অনুযায়ী দিমিত্রিয়াসের স্ত্রী—যিনি এক সময়ের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার বিজয়ী—তার সঙ্গে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন। সপ্তাহে তিন দিন করে মোট ৭২ বার চেষ্টা সত্ত্বেও স্ত্রী গর্ভধারণ না করায় সন্দেহ দেখা দেয় দিমিত্রিয়াসের মনে। পরে তিনি প্রতিবেশি যুবককে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে বাধ্য করেন।
পরীক্ষার প্রতিবেদনে উঠে আসে আরেকটি বিস্ময়—প্রতিবেশি যুবকও আসলে সন্তান জন্মদানে অক্ষম। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে দিমিত্রিয়াস অর্থ ফেরত দাবি করেন এবং আদালতে মামলা দায়ের করেন। তবে জার্মানির আদালত এই ধরনের ব্যক্তিগত ‘চুক্তি’র আইনগত বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তোলে।
আরও
এদিকে ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায় আসে যখন প্রতিবেশি যুবকের স্ত্রী স্বীকার করেন, তাদের দুই সন্তানই অন্য সম্পর্কের ফল, স্বামীর মাধ্যমে নয়। এই স্বীকারোক্তিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং পরিবারের মধ্যে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে।
পুরোনো এই ঘটনা সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে দাম্পত্য সম্পর্ক, পারিবারিক দায়িত্ব, নৈতিকতা এবং আধুনিক আইনি কাঠামো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।










