ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার রাফার ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে অবস্থানরত যোদ্ধারা আত্মসমর্পণ করবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে সশস্ত্র সংগঠন হামাস। গত মাসে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এসব যোদ্ধা রাফার টানেলগুলোতে আটকা পড়েন, যা বর্তমানে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
শনিবার (৮ নভেম্বর) হামাস রাফা থেকে ২০১৪ সালের গাজা যুদ্ধের সময় নিহত ইসরায়েলি সেনা লেফটেন্যান্ট হাদার গোল্ডিনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ইসরায়েলের সেনাপ্রধান ইয়াল জামির জানান, যদি হামাস গোল্ডিনের মরদেহ ফেরত দেয়, তবে রাফায় আটকে থাকা হামাস যোদ্ধাদের নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে শর্ত হিসেবে বলা হয়, তাদের আগে আত্মসমর্পণ করতে হবে এবং অস্ত্র জমা দিতে হবে।
এই প্রস্তাবের জবাবে হামাসের সামরিক শাখা ইজ আল-দ্বীন আল-কাশেম ব্রিগেড রোববার (৯ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে জানায়, “আমাদের অভিধানে আত্মসমর্পণ বলে কিছু নেই।” সংগঠনটি স্পষ্ট জানায়, কোনো অবস্থাতেই তারা ইসরায়েলের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না এবং সম্ভাব্য সংঘর্ষের দায় দখলদার ইসরায়েলকেই নিতে হবে।
আরও
হামাসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা কখনোই শত্রুর কাছে নিজেদের সমর্পণ করব না। যুদ্ধবিরতি যাতে অক্ষুন্ন থাকে, সে বিষয়ে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।”
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, হামাস আজ স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় লেফটেন্যান্ট হাদার গোল্ডিনের মরদেহ ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করবে। এরপর রাফায় আটকে থাকা হামাস যোদ্ধাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানা যেতে পারে।












