যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির জবাবে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। রবিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চীনের বৈধ অধিকার ও জাতীয় স্বার্থের ওপর আঘাত হলে বেইজিং অবশ্যই পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, “আমরা বাণিজ্য যুদ্ধ চাই না, তবে এতে ভীত নই। যুক্তরাষ্ট্র যদি ভুল পথে যায়, আমরা আমাদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেব।”
চীনের এই প্রতিক্রিয়া আসে ট্রাম্পের সম্প্রতি চীনের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর হুমকির পর। ট্রাম্প দাবি করেছেন, বেইজিং যদি রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ শিথিল না করে, তবে ১ নভেম্বর থেকে চীনের ওপর ১০০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। এতে ইতিমধ্যেই দেশটির ওপর বিদ্যমান শুল্কের সঙ্গে মিলিয়ে মোট শুল্ক ২৪৫ শতাংশে পৌঁছতে পারে।
এর আগে আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্র চীনের ওপর রপ্তানি শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে ১৪৫ শতাংশে বৃদ্ধি করেছিল। পাল্টা হিসেবে চীনও মার্কিন পণ্যের ওপর ধার্যকৃত শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে ১২৫ শতাংশে উন্নীত করে। এরপর উভয় দেশ ৯০ দিনের জন্য শুল্ক বৃদ্ধি স্থগিত করে, যা নভেম্বরের শেষ নাগাদ শেষ হবে।
আরও
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, উচ্চমাত্রার শুল্কের হুমকি কোনো কার্যকর সমাধান নয়। তারা পুনরায় উল্লেখ করেছে, বাণিজ্য যুদ্ধ এড়িয়ে যাওয়াই প্রাধান্য, তবে নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় কঠোর হতে পিছপা হবে না।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি ট্রাম্পের হুমকির বাস্তবায়ন হয়, তবে নবেম্বর থেকে মার্কিন-চীনের মধ্যে বাণিজ্যিক উত্তেজনা আরও তীব্র হতে পারে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক বাজার ও অর্থনীতির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।












