হামাসের আকস্মিক হামলার দুই বছর পূর্তিতে মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ইসরায়েলজুড়ে নানা স্মরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৩ সালের এই দিনে সংঘটিত হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন ইসরায়েলি নিহত এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে ইসরায়েল সরকার। দেশজুড়ে নিহতদের স্মরণে ফুল ও মোমবাতি জ্বালিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।
দক্ষিণ ইসরায়েলের রেইম এলাকায় অনুষ্ঠিত নোভা মিউজিক ফেস্টিভ্যালে ওই হামলাটি সংঘটিত হয়, যা ইসরায়েলের সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ ট্র্যাজেডি হিসেবে বিবেচিত। আজকের স্মরণ অনুষ্ঠানে নিহতদের পরিবার, বন্ধু ও সহকর্মীরা উপস্থিত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। অনেকেই প্রিয়জনের স্মৃতিচারণা করে তাদের দ্রুত বিচার দাবি করেন।
একজন জিম্মির শ্যালিকা গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব, যতক্ষণ না সবাই নিরাপদে ঘরে ফিরে আসে।” তার এই বক্তব্য হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর চলমান সংগ্রামের প্রতীক হয়ে ওঠে।
আরও
উল্লেখ্য, হামাসের ওই হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে, যা এখনও অব্যাহত। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।
এদিকে, যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি বিনিময় চুক্তি নিয়ে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে মিশরের কায়রোতে পরোক্ষ আলোচনা চলমান রয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রো-ফিলিস্তিন বিক্ষোভে অংশ না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, উল্লেখ করে যে এমন কর্মসূচি ‘ব্রিটিশবিরোধী আচরণ’ হিসেবে দেখা হতে পারে।













