মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে প্রথম ধাপে গাজা উপত্যকা থেকে সৈন্য প্রত্যাহারে ইসরাইল রাজি হয়েছে এবং হামাস যদি তা নিশ্চিত করে তাহলে যুদ্ধবিরতি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকরে চলবে। তিনি এই ঘোষণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করেন এবং জানান যে গত সোমবার হোয়াইট হাউস যে মানচিত্র দেখিয়েছে, সেই সীমারেখার মধ্যেই ইসরাইল প্রাথমিকভাবে সেনা প্রত্যাহারের জন্য সম্মত হয়েছে। ট্রাম্প দ্রুত পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করে সতর্কও করেছেন—নাহলে চুক্তি বাতিলের হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্পের ২০ দফা প্রস্তাবের কিছু অনুচ্ছেদ গ্রহণ করেছে হামাস—এই বরাত দিয়ে তিনি অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি আশার বার্তা দেন। হোয়াইট হাউস ভয়েস হিসেবে প্রকাশিত মানচিত্রে যেখানে সেনা প্রত্যাহারের বিভিন্ন সীমা দেখানো আছে, সেভোলাই প্রাথমিক প্রত্যাহারের পরিচায়ক হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন। হামাসের চূড়ান্ত নিশ্চিতকরণ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে—এমনটাই ট্রাম্পের দাবি।
বিবিসি ভেরিফাই-এর হিসাব অনুযায়ী প্রথম ধাপ সম্পন্ন হলে ও হোয়াইট হাউসের মানচিত্র অনুসরণ করলে এর পরও গাজার প্রায় ৫৫ শতাংশ অঞ্চল ইসরাইলীয় নিয়ন্ত্রণে থাকছে। অর্থাৎ শর্তসাপেক্ষ ব্যাপারগুলো বাস্তবায়িত হলেও উপত্যকার বড় অংশে ইসরাইলীয় প্রভাব বজায় থাকবে—এমনটি স্বাধীন পর্যবেক্ষকরা বলছে।
আরও
অন্যদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আশা প্রকাশ করেছেন যে খুব শিগগিরই গাজায় আটক জিম্মিদের মুক্তির ঘোষণা দেওয়া সম্ভব হবে। তিনি দাবি করেছেন কূটনৈতিক ও সামরিক চাপে হামাসের সামনে ট্রাম্পের প্রস্তাব ছাড়া বিকল্প নেই এবং শিগগিরই গাজা থেকে হামাসের শাসন ও সশস্ত্র ক্ষমতা ধ্বংস করে দেওয়ার উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হবে। নেতানিয়াহু আবারও হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।











