সিঙ্গাপুরের জনসংখ্যা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন মাসে দেশের মোট জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬.১১ মিলিয়নে (৬১ লাখ ১০ হাজার), যা গত বছরের তুলনায় ১.২ শতাংশ বেশি।
কোভিড-১৯ মহামারির পর সিঙ্গাপুর ধারাবাহিকভাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির নতুন ধারার সাক্ষী হয়ে উঠেছে। মহামারির সময় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে বিদেশিদের প্রবেশ সীমিত থাকায় জনসংখ্যা কমে গিয়েছিল। সম্প্রতি দেখা এই বৃদ্ধির বড় অংশই বিদেশি শ্রমিকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে হয়েছে।
২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বিদেশি শ্রমিকের সংখ্যা বেড়ে ১.৯১ মিলিয়নে (১৯ লাখ ১০ হাজার) পৌঁছেছে, যা এক বছরে ২.৭ শতাংশ বৃদ্ধি। বিশেষ করে নির্মাণ, সামুদ্রিক শিপইয়ার্ড, প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প এবং গৃহকর্মী খাতে শ্রমিক সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। নির্মাণ খাতের শ্রমিকরা চাঙ্গি বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৫ এবং আবাসন খাতের সম্প্রসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অবদান রাখছেন।
আরও
দেশীয় নাগরিকের সংখ্যা ৩.৬৬ মিলিয়নে (৩৬ লাখ ৬০ হাজার) দাঁড়িয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ০.৭ শতাংশ বৃদ্ধি। অপরদিকে স্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যা ০.৫৪ মিলিয়নে (৫৪ হাজার) অপরিবর্তিত রয়েছে।
ভূমি-সংকটাপন্ন সিঙ্গাপুরে বিদেশি শ্রমিকের সংখ্যা বাড়া রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয় হয়ে উঠেছে। নাগরিকরা কর্মসংস্থান ও জীবনযাত্রার খরচ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকায় সরকার এই বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে সামাল দিচ্ছে। ২০১৩ সালে অভিবাসন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা ঘোষণা করার সময় বিরলভাবে প্রতিবাদ দেখা দিয়েছিল, যেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে জনসংখ্যা ৬.৯ মিলিয়নে পৌঁছানোর প্রস্তাব করা হয়েছিল।












