সম্প্রতি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান সৌদি আরব ও জর্ডানের আকাশসীমা ব্যবহার করে কাতারের ভেতরে হামলা চালিয়েছে। বিষয়টি দুই দেশের অজানা ছিল না, তবুও তারা কোনো বাধা দেয়নি। এর আগে গত জুনে ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সময়ও সৌদি আরব ও জর্ডান ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছিল।
ভৌগোলিকভাবে কাতার ও ইসরায়েলের মাঝখানে অবস্থান করায় সৌদি আকাশসীমা ব্যবহার ছিল সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত পথ। যদিও সৌদি আরবের সঙ্গে ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, তবে দীর্ঘদিন ধরে গোপন সহযোগিতা চলছে বলে জানা যায়। এর মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান ও সামরিক সহায়তাও অন্তর্ভুক্ত। গত জুনে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিরোধেও সৌদি আরব ইসরায়েলকে সহায়তা করেছিল বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম দাবি করেছে।
সৌদি নেতৃত্ব বারবার জানিয়েছে, ইসরায়েলকে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সম্মত হতে হবে। তবে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা চুক্তি ও পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ চায় রিয়াদ। একইসঙ্গে সামরিক সরঞ্জাম কেনাবেচা নিয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
আরও
অন্যদিকে, জর্ডান হচ্ছে মিশরের পর দ্বিতীয় আরব দেশ যারা ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে। আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে দেশটি নিয়মিত বিপুল অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা পেয়ে থাকে। চুক্তির পর থেকে জর্ডান ও ইসরায়েল সীমান্ত নিরাপত্তা এবং গোয়েন্দা সহযোগিতায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।












