ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্টা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সাড়া পাচ্ছে না। দখলদার দেশটি তাদের অবস্থান পরিবর্তন না করায় কোনো চুক্তি অর্জন সম্ভব হচ্ছে না। মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ইসরায়েলের দৃঢ় অবস্থান এবং সাড়া না দেওয়াই যুদ্ধবিরতি চুক্তি ব্যর্থ হওয়ার মূল কারণ। তবুও কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টা থেমে যায়নি।
বদর আবদেলাত্তি আরও বলেন, মিশর তাদের চাপ অব্যাহত রাখবে এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে যাতে তারা ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব গ্রহণে প্ররোচিত করে। এ প্রস্তাবটি আমেরিকান মধ্যস্থতাকারী স্টিভ উইটকফের উদ্যোগের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে।
দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাস গত সপ্তাহে একটি চুক্তির রূপরেখা গ্রহণ করেছিল। এতে সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে থাকা জীবিত ১০ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে ৬০ দিনের জন্য মুক্তি দেওয়ার প্রস্তাব ছিল। কিন্তু ইসরায়েল এই প্রস্তাবে সাড়া না দিয়ে হামাসকে ধ্বংস করে যুদ্ধ শেষ করার মনোভাব দেখিয়েছে। এছাড়া উপত্যকায় থাকা ৫০ জন জিম্মির মুক্তির জন্য একটি বিস্তৃত শর্তযুক্ত চুক্তির ওপর জোর দিচ্ছে ইসরায়েল। ধারণা করা হচ্ছে, এই জিম্মিদের মধ্যে প্রায় ২০ জন এখনও জীবিত রয়েছেন।
আরও
এদিকে গাজা সীমান্তের কাছে বিনেই নেটজারিম এলাকায় বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) একটি ড্রোন হামলা হয়েছে। তবে ড্রোনটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারেনি। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আকাশে সেটি শনাক্ত করে সফলভাবে প্রতিহত করেছে। আইডিএফ জানিয়েছে, ড্রোনটি ইয়েমেন থেকে পাঠানো হয়েছিল।
ড্রোনের অনুপ্রবেশের সময় শহরে সাইরেন বাজানো হয় এবং রেড অ্যালার্ট কার্যকর করা হয়। পরবর্তীতে শহরটি বিপদমুক্ত হলেও ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









