গ্রিসের করফু থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর জার্মান স্বল্পমূল্যের বিমান সংস্থা কনডরের একটি বোয়িং ৭৫৭-৩০০ ফ্লাইট ভয়াবহ পরিস্থিতিতে পড়ে। শনিবার (১৬ আগস্ট) রাতে দুশেলডরফগামী ফ্লাইটটির ডানদিকের ইঞ্জিনে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। বিমানে সে সময় ২৭৩ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু ছিলেন। পরে নিরাপত্তার স্বার্থে ফ্লাইটটি ইতালির ব্রিন্দিসি বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।
ইঞ্জিনে আগুন লাগার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ডান পাশের ফিউজলাজ থেকে আতশবাজির মতো আগুনের ঝলক বের হচ্ছে, যা প্রায় ১৫ সেকেন্ড ধরে চলতে থাকে। আরেকটি ভিডিওতে বিমানের চারপাশে পাখির ঝাঁক উড়তে দেখা গেছে। বিমানবিষয়ক সংবাদমাধ্যমগুলো ধারণা করছে, পাখির আঘাতেই ইঞ্জিন বিকল হয়ে থাকতে পারে।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটের তথ্যে জানা যায়, করফু থেকে স্থানীয় সময় রাত ৮টা ১৯ মিনিটে উড্ডয়নের পর প্রায় ৪৩ মিনিট আকাশে থাকার পর বিমানটি ব্রিন্দিসির কাসালে বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। ইঞ্জিনে আগুন লাগার পর পাইলট প্রথমে করফুতে ফেরার চিন্তা করেছিলেন, তবে শেষ পর্যন্ত এক ইঞ্জিন সচল রেখে ব্রিন্দিসিতে নামানোর সিদ্ধান্ত নেন।
আরও
ঘটনার পর কনডর যাত্রীদের অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে। তবে ব্রিন্দিসিতে পর্যাপ্ত হোটেল না থাকায় যাত্রীদের রাতটি বিমানবন্দরে কাটাতে হয়। পরদিন বিকল্প ব্যবস্থা করে তাদের দুশেলডরফে পাঠানো হয়।
প্রসঙ্গত, বোয়িং ৭৫৭ মডেলটিকে প্রায় পাঁচ দশক ধরে ব্যবহৃত প্রাচীন যাত্রীবাহী বিমানের একটি বলা হয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের বেশ কয়েকটি ফ্লাইটেও উড়ন্ত অবস্থায় বোয়িং বিমানে ইঞ্জিনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ফলে এ ধরনের দুর্ঘটনা নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।











