ইয়েমেনে ব্যবসায়ী হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ভারতীয় নার্স নিমিশা প্রিয়ার রায় দ্রুত কার্যকরের আহ্বান জানিয়েছে নিহত তালাল আবদো মাহদির পরিবার। নিহতের ভাই আবদুল ফাত্তাহ মাহদি এ নিয়ে ইয়েমেনি কর্তৃপক্ষের কাছে তৃতীয়বারের মতো আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছেন। শনিবার (৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি জানান, তাদের পরিবার ইয়েমেনের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে চিঠি দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য নির্দিষ্ট তারিখ চেয়েছে।
চিঠিতে এই হত্যাকাণ্ডকে জঘন্য ও ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে দেরি না করে রায় কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়েছে। আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালে নিমিশা প্রিয়া ইয়েমেনি ব্যবসায়ী তালালকে হত্যা করে তার মরদেহ টুকরো টুকরো করে ব্যাগে ভরে ভূগর্ভস্থ পানির ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রাখেন। চলতি বছরের ৭ জুন তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কথা থাকলেও অ্যাটর্নি জেনারেলের নির্দেশে তা স্থগিত হয়।
আবদুল ফাত্তাহ জানান, তাদের পরিবার একাধিকবার নতুন কার্যকরের তারিখ চেয়েছে এবং ক্ষমার যেকোনো সম্ভাবনা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে। গত ১৬ জুলাইও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ভারত সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় তা পুনরায় স্থগিত হয়।
আরও
ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কূটনৈতিক পথে সমাধান না আসায় একমাত্র বিকল্প ছিল ‘ব্লাড মানি’। তবে ভুক্তভোগীর পরিবার এতে সম্মত হয়নি। কেরালার ধর্মীয় নেতা এপি আবুবকর মুসলিয়ার মধ্যস্থতায় আলোচনার চেষ্টা হলেও নিহতের পরিবার শুরু থেকেই ‘রক্তের দাম’ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। এ পরিস্থিতিতে ভারতের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, নিমিশার মৃত্যুদণ্ড খারিজ হওয়ার দাবি ভিত্তিহীন।













