ফাঁসি কার্যকর হয়েছে ইরানের এক পরমাণু বিজ্ঞানীর। কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বুধবার (৬ আগস্ট) মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে ইরানের কর্তৃপক্ষ। দেশের সুপ্রিম কোর্ট এই রায় অনুমোদন করার পরই তা বাস্তবায়ন হয়।
জানা গেছে, বিজ্ঞানী রুজবেহ ভাদি সম্প্রতি পাস হওয়া গুপ্তচরবিরোধী নতুন আইনের আওতায় এই শাস্তি পেয়েছেন। আইনটি অনুসারে, শত্রুরাষ্ট্রের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দোষী ব্যক্তিকে শুধু মৃত্যুদণ্ডই নয়, তার সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা সম্ভব। রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ মাত্র ১০ দিন, তাও শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে।
পরবর্তীতে তদন্তে উঠে আসে, রুজবেহ ভাদি ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে কাজ করতেন। তিনি ইহুদি শাসনের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের সময় নিহত এক গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু বিজ্ঞানীর বিষয়ে গোপন তথ্য সরবরাহ করেন বলে দাবি করেছে ইরানের বিচার বিভাগ।
আরও
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে। একদিকে আইনটি কার্যকর করে শত্রু রাষ্ট্রের ‘সাজানো নেটওয়ার্ক ভাঙা’ হচ্ছে বলে সরকার দাবি করলেও, অন্যদিকে ইরানের বহু আইনজীবী ও জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন। তাদের মতে, নতুন আইনটি বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও মানবাধিকারের জন্য হুমকি হতে পারে।
উল্লেখ্য, ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের এক ডজনেরও বেশি পরমাণু বিজ্ঞানী এবং উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পারমাণবিক সংস্থার সাবেক প্রধান ফেরেদুন আব্বাসি এবং তেহরান ইসলামিক আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি মোহাম্মদ মেহেদি তেহরানচি।











